শিরোনাম
ঢাকা-১৮ আসনকে স্মার্ট আসন হিসেবে গড়তে কাজ করে যাচ্ছি: খসরু চৌধুরী এমপি ড.কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম এলডিপির কার্যালয়ে জনগণের উদ্যেশে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণখানে রিকশাচালকদের মাঝে পানি বিতরণ করলেন খন্দকার সাজ্জাদ তীব্র তাপপ্রবাহে রিকশাচালকদের মাঝে পানি ও স্যালাইন বিতরণ ১০ দিনে তুরাগ থানার পরিবর্তনের ছোঁয়া কালীগঞ্জের নাগরিতে সন্ত্রাসীদের তান্ডব উত্তরায় প্রকৌশলীকে পিটিয়ে হত্যা, মূল হোতা নাজমুল ধরাছোঁয়ার বাইরে উত্তরায় বফেট লঞ্চের শুভ উদ্বোধন উত্তরা ৪৭ নং ওয়ার্ড এ খন্দকার সাজ্জাদ হোসেনের ঈদের নামাজ আদায় উত্তরখানে খসরু চৌধুরী এমপির ঈদ উপহার বিতরণ
রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২:৩১ অপরাহ্ন

সুন্নি ইত্তেহাদে আনুষ্ঠানিকভাবে পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্রদের যোগদান

রিপোটারের নাম / ১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

পাকিস্তানে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে জয় পাওয়া পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র সদস্যদের প্রায় সবাই সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলে (এসআইসি) যোগ দিয়েছেন।

বুধবার পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনে (ইসিপি) স্বতন্ত্র সদস্যদের হলফনামা দাখিলের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ জোটে যোগ দেন তারা। খবর ডন, সামা টিভি।

পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্রদের মধ্যে জাতীয় পরিষদে ৮৯ সদস্য, খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক পরিষদের ৮৫ সদস্য, পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের ১০৬ সদস্য এবং সিন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের ৯ সদস্য তাদের হলফনামা জমা দিয়েছেন। ফলে জাতীয় পরিষদে বিরোধী জোটের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩।

তবে পিটিআই সেক্রেটারিয়েটের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, তিন পিটিআই নেতা ওমর আইয়ুব খান, গহর খান ও আলি আমিন গান্দাপুর এখনো হলফনামা জমা দেননি। আর নির্বাচন কমিশন দাওয়ার কুন্দি নামের এক প্রার্থীর প্রজ্ঞাপন এখনো জারি করেনি।
এছাড়া জাতীয় পরিষদের দুই নির্বাচিত সদস্য চৌধুরী ইলিয়াস ও মুহাম্মদ আসলাম গুম্মাম নিখোঁজ থাকলেও তাদের হলফনামা পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, ওমর আইয়ুব ও গহর খান ইচ্ছা করেই হলফনামা জমা দেননি। তারা পিটিআইয়ের আন্তঃদলীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বদ্বিতা করতে চান। আর গান্দাপুরকে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছে পিটিআই, এ কারণে তিনি হলফনামা জমা দেননি।

পাকিস্তানে গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে সাধারণ নির্বাচন। যদিও এ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছেন পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)। তৃতীয় স্থানে আছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। ইতোমধ্যে পিএমএল-এন ও পিপিপি জোটবদ্ধভাবে সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নিজেদের পক্ষের আসন সংখ্যা বাড়াতে সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলের সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পিটিআই। এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে তারা নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন দাবি করতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ