শিরোনাম
ঢাকা-১৮ আসনকে স্মার্ট আসন হিসেবে গড়তে কাজ করে যাচ্ছি: খসরু চৌধুরী এমপি ড.কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম এলডিপির কার্যালয়ে জনগণের উদ্যেশে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণখানে রিকশাচালকদের মাঝে পানি বিতরণ করলেন খন্দকার সাজ্জাদ তীব্র তাপপ্রবাহে রিকশাচালকদের মাঝে পানি ও স্যালাইন বিতরণ ১০ দিনে তুরাগ থানার পরিবর্তনের ছোঁয়া কালীগঞ্জের নাগরিতে সন্ত্রাসীদের তান্ডব উত্তরায় প্রকৌশলীকে পিটিয়ে হত্যা, মূল হোতা নাজমুল ধরাছোঁয়ার বাইরে উত্তরায় বফেট লঞ্চের শুভ উদ্বোধন উত্তরা ৪৭ নং ওয়ার্ড এ খন্দকার সাজ্জাদ হোসেনের ঈদের নামাজ আদায় উত্তরখানে খসরু চৌধুরী এমপির ঈদ উপহার বিতরণ
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন

সিদ্ধার্থকে কেন মন দিয়েছিলেন কিয়ারা?

রিপোটারের নাম / ২০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি কিয়ারা আদভানি এবং সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমেরে গাঁটছড়া বাধেন তারা। তারপর থেকেই প্রকাশ্যে নজর কেড়েছে তাদের রসায়ন। পোশাকের দিক দিয়ে হোক অথবা একে অপরকে সাপোর্ট করার বিষয় হোক, দুজনেই কিন্তু রাখঢাক করেন না।এদিকে, কিয়ারা সম্প্রতি শেয়ার করেছেন কিভাবে এবং কখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে সিদ্ধার্থ তার জন্য ‘একজন’।

আনন্দবাজার অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, গত ৭ ফেব্রুয়ারি ছিল কিয়ারা এবং সিদ্ধার্থের প্রথম বিবাহবার্ষিকী। ‘শেরশাহ’ ছবিতে সিড-কিয়ারার পর্দার রোম্যান্সে বুঁদ হয়েছিলেন দর্শকরা। পর্দার প্রেম গড়ায় বাস্তবেও। ওই ছবির শুটিংয়ের সময়ই মন দেওয়া-নেওয়া হয় দুজনের। সেই প্রেম পরিণতি পেয়েছিল গত বছর। জয়সলমেরের সূর্যগড় প্রাসাদে রাজকীয় ভাবে বিয়ে সারেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। সেই বিয়ের বয়স হলো এক বছর। বিবাহবার্ষিকীর পরে কিয়ারা জানিয়ে দিলেন কেন মন দিয়েছিলেন সিদ্ধার্থকে? কিয়ারার কথায়, ‘আমার কাছে সিদ্ধার্থ হল সবচেয়ে স্বস্তির জায়গা। আমি যখনই সিদ্ধার্থের সঙ্গে থাকি, মনে হয় আমি বাড়িতে আছি। মনে হয় কাছের মানুষের সঙ্গে আছি। সিদ্ধার্থকে বেছে নেওয়ার জন্য আর কিছু দরকার ছিল না।’

সিদ্ধার্থকে দেখে কখনো কি কিয়ারার মনে হয়েছে যে এমনই কাউকে খুঁজছিলেন? কিয়ারা বলেন, ‘এমন কোনো মুহূর্ত তৈরি হয়নি যা দেখে মনে হবে আমি তো একেই চাইছিলাম। কিন্তু আমার সিডের সঙ্গে কথা বলতে, গল্প করতে ভালো লাগত। সিদ্ধার্থকে আমি অত্যন্ত বিশ্বাস করি। ব্যক্তিগত জীবনে এবং পেশাগত জীবনেও সিদ্ধার্থের মতো বিশ্বাসযোগ্য আর কাউকে মনে হয়নি।’

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ