শিরোনাম
ঢাকা-১৮ আসনকে স্মার্ট আসন হিসেবে গড়তে কাজ করে যাচ্ছি: খসরু চৌধুরী এমপি ড.কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম এলডিপির কার্যালয়ে জনগণের উদ্যেশে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণখানে রিকশাচালকদের মাঝে পানি বিতরণ করলেন খন্দকার সাজ্জাদ তীব্র তাপপ্রবাহে রিকশাচালকদের মাঝে পানি ও স্যালাইন বিতরণ ১০ দিনে তুরাগ থানার পরিবর্তনের ছোঁয়া কালীগঞ্জের নাগরিতে সন্ত্রাসীদের তান্ডব উত্তরায় প্রকৌশলীকে পিটিয়ে হত্যা, মূল হোতা নাজমুল ধরাছোঁয়ার বাইরে উত্তরায় বফেট লঞ্চের শুভ উদ্বোধন উত্তরা ৪৭ নং ওয়ার্ড এ খন্দকার সাজ্জাদ হোসেনের ঈদের নামাজ আদায় উত্তরখানে খসরু চৌধুরী এমপির ঈদ উপহার বিতরণ
বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

শ্রীপুর জয়না বাজারে প্রাণের বাংলাদেশের ইফতার অনুষ্ঠান

তরিক শিবলী / ২২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি : ইফতার আরবি ‘ফুতুর’ শব্দ থেকে উদ্ভূত। ‘ফুতুর’-এর অর্থ নাশতা করা বা হালকা খাবার খাওয়া। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর রোজা সমাপ্তির জন্য পানাহার করাকে ইফতার বলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ, দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সহকারি সম্পাদক এডভোকেট আলমগীরের উদ্যোগে প্রাণের বাংলাদেশের শ্রীপুরের সাংবাদিকদের আয়োজনে ইফতারের আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক ডক্টর আব্দুল্লাহ আল মামুন।
প্রধান অতিথি বলেন গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, ইতিহাস সাক্ষী গণমাধ্যম এনেছে সমাজের জাতির এবং রাষ্ট্রের অনেক পরিবর্তন। তাই আমি আমার সকল সংবাদ কর্মীদের অনুরোধ করবো সব সময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক রুহুল আমিন, উপস্থিত ছিলেন ফটো সাংবাদিক রাসেল, রাজিব, নাজমুল, আব্দুল আজিজ, সোহাগ সহ অন্যান্য কলাকৌশলী বৃন্দ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন রমজান মাস হচ্ছে শ্রেষ্ঠ মাস এই মাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বাকি মাসগুলো আমাদেরকে পথ চলতে হবে । জৈনা বাজার তরি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠান এর আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠানে নতুন ফটো সাংবাদিক হিসেবে কার্ড পরিয়ে গ্রহণ করে নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য ইফতার একটি মহান ইবাদত তা নিজে খাওয়ার মাধ্যমে হোক কিংবা অন্যকে খাওয়ানোর মাধ্যমে হোক। ইফতারের পূর্বমুহূর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন- ‘রোজাদারের জন্য দুইটি আনন্দঘন মুহূর্ত রয়েছে।
একটি হলো ইফতারের সময় (এ সময় যেকোনো নেক দোয়া কবুল করা হয়)। অন্যটি হলো (কেয়ামতের দিবসে) নিজপ্রভুর সঙ্গে সাক্ষাতের সময়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ