শিরোনাম
ঢাকা-১৮ আসনকে স্মার্ট আসন হিসেবে গড়তে কাজ করে যাচ্ছি: খসরু চৌধুরী এমপি ড.কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম এলডিপির কার্যালয়ে জনগণের উদ্যেশে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণখানে রিকশাচালকদের মাঝে পানি বিতরণ করলেন খন্দকার সাজ্জাদ তীব্র তাপপ্রবাহে রিকশাচালকদের মাঝে পানি ও স্যালাইন বিতরণ ১০ দিনে তুরাগ থানার পরিবর্তনের ছোঁয়া কালীগঞ্জের নাগরিতে সন্ত্রাসীদের তান্ডব উত্তরায় প্রকৌশলীকে পিটিয়ে হত্যা, মূল হোতা নাজমুল ধরাছোঁয়ার বাইরে উত্তরায় বফেট লঞ্চের শুভ উদ্বোধন উত্তরা ৪৭ নং ওয়ার্ড এ খন্দকার সাজ্জাদ হোসেনের ঈদের নামাজ আদায় উত্তরখানে খসরু চৌধুরী এমপির ঈদ উপহার বিতরণ
বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ১০:৩০ অপরাহ্ন

তিনি কখনো পুলিশ কর্মকর্তা, কখনো জেল সুপার-আইনজীবী!

রিপোটারের নাম / ১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

কখনো পুলিশ কর্মকর্তা, কখনো জেল সুপার এবং কখনো আবার পরিচয় দিতেন আইনজীবী হিসাবে। নিজেকে এভাবেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে পরিচয় দিয়ে ফোন করতেন কারাগারে বন্দি থাকা আসামিদের স্বজনদের কাছে। তারপর সেসব আসামিকে মুক্ত করার কথা বলে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন লাখ লাখ টাকা।

কিন্তু কথায় বলে চোরের ১০ দিন সাধুর একদিন! অবশেষে তাই হয়েছে, বহুমুখী এ প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে সহযোগীসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১২ পাবনা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. এহতেশামুল হক খান।

প্রতারক চক্রের তোহা ও তার সহযোগী হলেন চাটমোহর উপজেলার বোঁথড় গ্রামের আজহার সরকারের ছেলে মো. মামুন হোসেন এবং একই এলাকার শাহ আলমের ছেলে মো. ইমরান হোসেন।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার আদালত প্রাঙ্গণে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়ে আসামিদের আত্মীয়স্বজনরা অপেক্ষা করেন। কেউ জামিনের জন্য আবার কেউ অপেক্ষা করেন কারাগার থেকে হাজিরা দিতে আসা স্বজনদের একনজর দেখার জন্য। এ ধরনের ব্যক্তিদের আত্মীয়স্বজনদের টার্গেট করে এক ধরনের প্রতারক চক্র। কখনো জেল সুপার, কখনো জেলা পুলিশ, কখনো বা উকিল পরিচয়ে আত্মীয়স্বজনের মোবাইল নম্বরে ফোন করে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং জামিন ও মামলা নিষ্পত্তির কথা বলে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। এ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে পাবনা জেলায় নানা কৌশলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছে। এ ধরনের একটি ঘটনায় প্রতারণার শিকার হয়ে এক ভুক্তভোগী র‌্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে মাঠে নামে র‌্যাব।

এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিমান চালিয়ে চক্রের মূলহোতা মো. মামুন ও তার সহযোগী ইমরান হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ওই বিষয়ের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ