শিরোনাম
ঢাকা-১৮ আসনকে স্মার্ট আসন হিসেবে গড়তে কাজ করে যাচ্ছি: খসরু চৌধুরী এমপি ড.কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম এলডিপির কার্যালয়ে জনগণের উদ্যেশে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণখানে রিকশাচালকদের মাঝে পানি বিতরণ করলেন খন্দকার সাজ্জাদ তীব্র তাপপ্রবাহে রিকশাচালকদের মাঝে পানি ও স্যালাইন বিতরণ ১০ দিনে তুরাগ থানার পরিবর্তনের ছোঁয়া কালীগঞ্জের নাগরিতে সন্ত্রাসীদের তান্ডব উত্তরায় প্রকৌশলীকে পিটিয়ে হত্যা, মূল হোতা নাজমুল ধরাছোঁয়ার বাইরে উত্তরায় বফেট লঞ্চের শুভ উদ্বোধন উত্তরা ৪৭ নং ওয়ার্ড এ খন্দকার সাজ্জাদ হোসেনের ঈদের নামাজ আদায় উত্তরখানে খসরু চৌধুরী এমপির ঈদ উপহার বিতরণ
বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ০৯:৩১ অপরাহ্ন

আশা জাগিয়েও হার, যা বললেন ট্র্যাজিক হিরো জাকের

রিপোটারের নাম / ২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তখন একের পর এক ছক্কা মারছেন জাকের আলী। পুরো স্টেডিয়াম মাতোয়ারা ঘরের ছেলের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে। স্টেডিয়ামের প্রেস বক্সে বসা সংবাদকর্মীরাও মুগ্ধ নয়নে উপভোগ করছেন জাকেরের খেলা। জাকের আলি অভিষেক ম্যাচে ৩৪ বলে ৬৮ রানের ভিনগ্রহের ইনিংস খেললেন। তার এ টর্নেডো ইনিংসে জেতেনি বাংলাদেশ, কিন্তু ‘লোকাল হিরো’ জাকের জিতে নেন গোটা দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মন। জাতীয় দলে পাকাপোক্ত করে নেন নিজের জায়গা। জাকেরের ভিনগ্রহের ইনিংস ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের পরও বাংলাদেশ ৩ রানে হেরেছে।

আশা জাগিয়েও শেষে হেরে যাওয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন জাকের। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বারবার একটি কথাই বললেন, জিততে পারলে ভালো লাগতো। জাকের আলি অনিক যে অসাধ্য সাধনের চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত পারলেন না। তার দুইশ স্ট্রাইকরেটে ৩৪ বলে ৬৮ রানের ইনিংসটা গেলো বিফলে।

জাকের জানান, ‘রিশাদকে বলেছিলাম জাস্ট চেষ্টা করে আমাকে স্ট্রাইক দেওয়ার। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওর উইকেটটা পড়ে যায়। আমি তো তারপরও স্ট্রাইকে ছিলাম, যখন ৪ বলে ১০ রান লাগতো। কনফিডেন্স ছিল ইনশাআল্লাহ পারব। যেহেতু পুরো ইনিংসটা ভালো যাচ্ছিল। কানেক্ট হয়নি, হাতে চলে গেছে, এই আর কী!’

আক্ষেপ নিয়ে এই ক্রিকেটার আরও বলেন, ‘যদি ম্যাচ জিততে পারতাম, তাহলে ১০-১২ রান করলেও বেশি খুশি লাগত। ভালো খেলেছি আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহতায়ালা যা দিয়েছেন। তবে ম্যাচ জেতাতে পারলে হয়ত আরও বেশি খুশি হতাম।’

এদিন শ্রীলংকার ৩ উইকেটে ২০৬ রানের জবাবে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত লড়াই করে সংগ্রহ করে ৮ উইকেটে ২০৩ রান। ২০০-ঊর্ধ্ব ইনিংস (২১৫) রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশের। ২০১৮ সালে কলম্বোয় নিদাহাস ট্রফিতে স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে ২১৪ রান তাড়া করে ৫ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ। গতকার সেই সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন মাহমুদুল্লাহ ও জাকের। দুজনের জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে টানটান উত্তেজনার ম্যাচটিতে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে নাজমুল বাহিনী। বর্ষীয়ান মাহমুদুল্লাহ ৫৪ রানের ইনিংস খেলে দলকে পাইপলাইনে তুলে দেন। বর্ষীয়ান ক্রিকেটারের ৩১ বলের ইনংসটিতে ছিল ২টি চার ও ৪টি ছক্কা। জাকের ২০০ স্ট্রাইকরেটে ৩৪ বলে ৬৮ রানের ‘রকস্টার’ ইনিংস খেলেন ৪ চার ও ৬ ছক্কায়। অন্য ব্যাটাররা একটু আক্রমণাত্মক মেজাজি হলে হয়তো জয়োচ্ছ্বাসে ভাসত টাইগাররা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ